ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার ক্ষেত্রে সেখানে কোন দাগ থাকে।

এই বিষয়টা গৃহিণীদের সাথে বেশি ঘটে কারণ সাংসারিক কাজকর্ম করতে গেলে বিভিন্নভাবে দাগ পরে সবজি কাটার ক্ষেত্রে চুল কেটে যেতে পারে বা থালা বাটি ও কাপড় ধুইতে গিয়ে আঙ্গুলের চামড়া  উঠে গেলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ভাবে নিতে পারে না।

বায়োমেট্রিক ফেল সিম আপডেট উপায় 

নতুন সিম কেনার জন্য বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনের কোন বিকল্প নেই।যে কোন জায়গা থেকে সিম কিনতে গেলে এই বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে নতুন নাম্বার প্রদান করা হয়। এটি মূলত সিম ক্রেতার অনন্য তথ্য সংরক্ষণ করে রাখে। যেহেতু   বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করা হয় পৃথিবীর কারো ফিঙ্গারপ্রিন্ট অন্য কারো সাথে মিলে না।এজন্য  সিম ক্রেতার ফিঙ্গারপ্রিন্টের অনন্য তথ্য সংরক্ষণ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যাতে অন্য কেউ সহজে এক্সেস করতে না পারে।

কিন্তু কখনো কখনো সিম কেনার সময় এই বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনটা সম্পূর্ণ করা যায় না।এর মানে হচ্ছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেই ডিভাইসের সাথে সঠিকভাবে মিলে না। যেহেতু ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হয় হাতের আঙ্গুল দিয়ে তাই সেই আঙ্গুল যদি কোন রকমের কাটা দাগ বা কোন চিহ্ন থেকে থাকে তখন ভোটার আইডি কার্ডের দেওয়া ফিংগারপিন্টের সাথে সিম রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর মিল হয় না।এই সমস্যাটা তখন খুব বিড়ম্বনার মধ্যে ফেলে দেয়।কিন্তু বায়োমেট্রিক ফেল সিম আপডেট উপায় আছে।

এজন্য অবশ্যই নিকটস্থ সেই সিম কোম্পানির কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে গিয়ে  যোগাযোগ করতে হবে।কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে যোগাযোগ করলে সেখানে তারা প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট যেমন ভোটার আইডি কার্ড ইত্যাদি এগুলা চাইবে।এরপর সেগুলো দেবার পরে তথ্যগুলো সঠিক ভাবে যাচাই করবে।যাচাই করার পরে তারা অন্য কোন উপায়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার চেষ্টা করবে বা অন্য আঙ্গুল ব্যবহার করবে।তাদের কথার মত সব কাজ সম্পন্ন করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়ে সিম আপডেট করা যাবে। 

বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন কাকে বলে

বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন হল ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার জন্য একটি পদ্ধতি।যে সিম ক্রয় করবে তার হাতের আঙ্গুলে ছাপ নেওয়া হবে স্ক্যানার মেশিনের মাধ্যমে।কারণ এর মধ্যে দিয়ে সেই ক্রেতার তার সঠিক তথ্য ও অন্যান্য তথ্যগুলো সংরক্ষিত থাকবে। কারণ একজনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট অন্য জনের সঙ্গে মিলে না।তাই যদি কেউ সেই ব্যক্তির সিমের তথ্য চুরি করতে চাই এবং সেই একাউন্টে ঢুকতে চায় তাহলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট টেস্ট ওইটা লক করে দিতে ব্লক করে দিবে কারণ সেই ব্যক্তি সাথে তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিলবে না।

বাংলাদেশ সরকার সিমের তথ্যগুলো সংরক্ষণ করা ও ক্রেতাদের দেওয়া এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্য চুরি হওয়ার ক্ষেত্রে রক্ষা করতে এই পদ্ধতি চালু করেছেন।বায়োমেট্রিক এর ক্ষেত্রে যে শুধু হাতে ব্যবহার হয় তা নয় বরং মুখ ও চোখের ব্যবহার হয়। কিন্তু সিম রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক সিস্টেমে শুধু ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিলেই হয়। বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় মানুষের তথ্য নিরাপত্তা প্রদান করার জন্য। মুখমণ্ডল, চোখ, হাত কখনো অন্য জনের সাথে মিলে না।

সিমের ক্ষেত্রে বায়মেটিক রেজিস্ট্রেশন এর প্রয়োজনীয়তা 

সিমের ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন এর গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ এই বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন যে শুধু ক্রেতার তথ্যের নিরাপত্তা দেন তাই নয় বরং অপরাধ ঠেকাতেও এটি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। পূর্বে এর ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনে প্রয়োজন ছিল না। যার জন্য অনেক অনৈতিক কাজের জন্য সিম কেনা সহজ ছিল। কারণ টাকা দিলেই সিম দিয়ে দিত কোন ধরনের তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু বর্তমানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার কারণে সেই ব্যক্তির তথ্য সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে।

সার্ভারে তথ্য সংরক্ষিত থাকার কারণে কোন প্রয়োজনে যদি সেই ব্যক্তির তথ্য দরকার হয় তাহলে সহজেই এই ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে সার্ভার থেকে তার তথ্য বের করে নেয়া যাবে। অপরাধ ঠেকাতে ও অনৈতিক কার্যক্রমের প্রসার কমানোর জন্য এই বায়োমেট্রিক্স সিস্টেম ব্যবহার করা হয় সিম রেজিস্ট্রেশন এর ক্ষেত্রে।পূর্বে একজনের নামে কতগুলো সিম রয়েছে সেগুলো হিসাব করা যেত না।এখন এই সিস্টেমের কারণে সহজেই সেই ব্যক্তির তথ্য ও সিমের তথ্য সার্ভার থেকে নেওয়া যায়।

বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করলে কি হয়

বায়োমেট্রিক ফেল দেখলে সিম আপডেট উপায় জানার আগে এটা জানতে হবে যে সিম ক্রয়ের এর পূর্বে যে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করা হয় এটা সম্পূর্ণ করার পর কি করা হয়।আসলে এই রেজিস্ট্রেশন বা এই প্রযুক্তি ব্যবহার মূলত অপরাধ ঠেকাতে ও অন্য নিরাপত্তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

সিম নিবন্ধন এর ক্ষেত্রে যেহেতু বায়োমেট্রিক্স ব্যবহার করা হয় তাই সে ক্ষেত্রে শুধু ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হয়।ফিঙ্গারপ্রিন্টের অনন্য তথ্য সংরক্ষণ হয়ে থাকে ডেটা সার্ভারে।যাতে ক্রেতার তথ্য অন্য কেউ ব্যবহার করতে বা চুরি করতে না পারে এবং ক্রেতার পরিচয় যেন সঠিকভাবে পাওয়া যায় এই জন্য এই তথ্যগুলো সংরক্ষণ করা হয়।

হঠাৎ করে যদি সিম চুরি হয়ে যায় বা হারিয়ে যায় তাহলে অন্য কেউ এসে বলতে পারবে না যে এটা আমার সিম।সহজেই সিমের মালিকানা দাবি করতে পারবে না কারণ এই বায়োমেট্রিক সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করার কারণে।সে ডেটা গুলো যাচাই করলে দেখা যাবে যে প্রকৃত মালিক কে। এছাড়া যারা অপরাধ জগতের সাথে জড়িত তাদের সিম কেনার ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। রেজিস্ট্রেশন এর পরে তাদের তথ্য সার্ভারের সংরক্ষণ হয়ে থাকার কারণে সহজে খুঁজে পাওয়া যায়।

বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কি সিম নেওয়া যায় 

বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনোভাবেই সিম নেওয়া যাবে না। কারণ বায়োমেট্রিক ছাড়া সিম নিলে সেই সিমের মালিকানা বা ক্রেতার পরিচয় সার্ভারে সংরক্ষণ থাকে না। যার জন্য সিমের ভেতরে থাকা তথ্যগুলো ঝুঁকিতে পড়ে। যদি আঙ্গুল দ্বারা বায়োমেট্রিক সম্পূর্ণ না করা যায় তাহলে যত দ্রুত সম্ভব ওই সিমের কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করতে হবে। 

সেখানে ভোটার আইডি কার্ড সহ প্রয়োজনের তথ্য তাদের কাছে দিয়ে সমস্ত যাচাই করণ সম্পন্ন করে সিম কেনা যাবে।টেলি যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এর আইন অনুযায়ী বায়োমেট্রিক ছাড়া সিম কিনলে সেটা আইনত অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।এছাড়া এর মাধ্যমেও ক্রেতারা ঝুঁকিতে পড়ে যায়।

কোন পদ্ধতিতে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয় 

বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার বিভিন্ন পদ্ধতির রয়েছে যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া, ফেস রেগুলাইজেশন, আইরিস  স্ক্যান এগুলো।কিন্তু সেম রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে শুধু ফিঙ্গারপ্রিন্ট সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। যে পয়েন্ট থেকে সিম কেনা হচ্ছে সেই পয়েন্টের স্ক্যানার এর সাথে ফিঙ্গার বসিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে সেই এজেন্ট একাধিক আঙ্গুল ব্যবহার করতে পারে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হয়ে গেলে সেটা ভোটার আইডি কার্ডের সাথে মেলানো হয় মিলে গেলে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।

সিম কেনার পূর্বে ভোটার আইডি কার্ডের সাথে সব তথ্যগুলো গ্রহণ করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর জন্য স্ক্যানার দেওয়া হয়। ফিঙ্গার প্রিন্টের স্ক্যানার দিলে ফিঙ্গারের প্রিন্ট সেই স্ক্যানার এ চলে যায় এবং সেই ডাটা পরবর্তী ডিজিটাল ফরমেট  এ রূপান্তর করে সার্ভারের সংরক্ষণ করা হয়। যেকোন জায়গা থেকে সিম কিনেন না কেন এই বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনটা অত্যাবশ্যকীয়।

বায়োমেটিক রেজিস্ট্রেশন না করলে কি হবে

সিম ক্রয়ের ক্ষেত্রে যদি বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন না করা হয় তাহলে সেই সিম কিনতে দিবে না।কারণ বায়োমেট্রিক ছাড়া সিম কেনা আইনগত অপরাধ। বায়োমেট্রিক ফেল দেখালে সিম উপায় সম্পর্ক জেনে বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করতে হবে তাও এই বায়মেটিকস করা ছাড়া সিম কেনা অসম্ভব।বর্তমানের সব অপারেটরের দিনগুলোকে  BTRC  এর আওতাভুক্ত করা হচ্ছে। সেই সাথে মোবাইলের সেট ও নিবন্ধন করা হচ্ছে। যদি বায়োমেট্রিক না করা হয় তাহলে NTRC এর আহতভুক্ত হবে না।

যদি BTRC এর আওতাভুক্ত না হয় তাহলে অটোমেটিক এই সিম বাতিল হয়ে যাবে। সিমের ক্ষেত্রে কোন ধরনের কোন সেবা পাওয়া যাবে না। এছাড়া বায়োমেট্রিক না করে রাখলে সেই সিম ব্যবহার করলে কোন ধরনের গোপন তথ্য ও সংবেদনশীল তথ্য থাকলে সেটা নষ্ট হয়ে যাবে এবং ক্ষতি হবে। কিন্তু সার্ভারে তথ্য সংরক্ষণ করা থাকলে সেগুলো পুরনায় উদ্ধার করা যায়। উদ্ধার করা যায় যে সিমের আসল মালিকের প্রকৃত পরিচয়। তাই বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করতেই হবে। 

বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করার সুবিধা কি

বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করার সুবিধা বলে শেষ করা যাবে না। কারণ বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন শুধু তথ্যের নিরাপত্তা দেয় তাই নয় বরং অপরাধি সনাক্ত করতেও এবং গুরুত্বপূর্ণ অভিযান চালাতে ভূমিকা পালন করে। যদি কোন কারনে সিম নষ্ট হয়ে যায় বা চুরি হয়ে যায় তাহলে সার্ভারে থাকা ডাটা দিয়ে সহজেই তা উদ্ধার করা যায়। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এই বায়মেটিক ভিষণ গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সবাই বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করি। এর জন্য নির্দিষ্ট নাম্বার দিয়ে সেই অ্যাপ খুলতে হয়।

 ভোটার আইডি কার্ডের সাথে মিলিয়ে সেই তথ্যগুলো সংরক্ষণ করে রাখলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। তাই বায়োমেট্রিক ফেল দেখালে সেম আপডেট উপায় জেনে হলেও ও কাস্টমার কেয়ারের সেন্টারে গিয়ে হলেও বায়োমেট্রিক করে রাখতে হবে।

বায়োমেট্রিক ষ্টেশন এর কি কোন অসুবিধার রয়েছে

বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন আমাদেরকে নিরাপত্তা প্রদান করলেও কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে এটার কারণে। যেমন এজেন্ট যদি সঠিকভাবেই স্ক্যানার ব্যবহার করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট না নেয় তাহলে সেই ভুল হিসেবে প্রমাণিত হয় এবং তথ্য সার্ভারের সংরক্ষণ করা থাকে না। যদি কোন কারনে সেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর তথ্যগুলো চুরি হয়ে যায় তখন চরম পরিমাণে নিরাপত্তার ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হয়। এই সংবেদনশীল তথ্য চুরি হয়ে যাওয়ার কারণে সে ক্রেতাকে অনেক বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। তাই গুরুত্ব নিয়ে এই কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

লেখক এর মন্তব্য 

সিম কেনার পূর্বে অবশ্যই বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন ভালোভাবে করে নিতে হবে। এজেন্টকে সতর্ক থাকতে হবে যে সঠিকভাবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া হয়েছে কিনা।  যদি বায়োমেট্রিক না হয় তাহলে অবশ্যই অবশ্যই সেই অপারেটর এর কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করতে হবে। কোন লোকাল জায়গা থেকে সার্ভিস নিলে সমস্যা হতে পারে। বায়োমেট্রিক ফেল দেখালে সিম আপডেট উপায় সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে সেভাবে সতর্কতার সাথে কাজ করতে হবে। কখনো ভুলেও বায়োমেট্রিক ছাড়া সিম কিনবেন না।




এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Abir Hossain
TonMoy Ahmad
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও অর্ডিনারি আইটির সিনিয়র সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।